বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে ভারতীয় একটি গণমাধ্যম। তাদের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দেশের প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ বর্তমানে নিষিদ্ধ, এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে অবস্থান করছেন ভারতের রাজধানী দিল্লিতে। গোপনে সংগঠিত হচ্ছে দলটি, টার্গেটে ছাত্রলীগ নেতারাপ্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দলটি এখন ওপেন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বদলে টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে গোপনে সংগঠিত হচ্ছে। বিশেষ করে ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমান নেতারা রয়েছেন নজরদারির কেন্দ্রে।ভারতীয় ঐ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এমনও উল্লেখ করা হয়েছে যে, দলের প্রভাবশালী একাধিক নেতাকে নজরদারির আওতায় রাখা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি।
সরকারপন্থী মহলে অস্বস্তি, বিরোধী পক্ষের উৎসাহএই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দেশের রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।অনেকেই মনে করছেন, বিরোধীদের পক্ষ থেকে এটি একটি ‘মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের কৌশল’।আবার কেউ কেউ বলছেন, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক চালের অংশ হতে পারে এই খবর। বিশ্লেষকদের মতামত: “সতর্ক থাকার সময়” বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের সংবাদ সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হলে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। তারা সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত বক্তব্য প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষ সতর্কতা: এখনো পর্যন্ত শেখ হাসিনার অবস্থান, আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ হওয়া বা গোপন সাংগঠনিক তৎপরতা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের কোনো সরকারি ঘোষণা পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি পুরোপুরি সত্য বলে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।

