আমরা কমবেশি সবাই জানি, জেলখানার ভেতরকার অবস্থা কতটা করুণ। কিন্তু বাথরুমের অর্ধেক দেয়ালের কথা অনেকেরই অজানা। জেলখানার বাথরুমের কোনো দরজা থাকেনা। চাইলেই যে কেউ এসে উঁকি দিয়ে দেখতে পারে আপনি কি করছেন। এবং দেয়ালগুলোও যেহেতু অর্ধেক থাকে, তাই টয়লেট করার সময় বাকিদের দিকে তাকিয়ে তাকিয়েই টয়লেট করতে হয়। যা কিনা হৃদয় খান ও রিফান হোসাইনের মত শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই অসম্মানের।
জেলজীবনের প্রথমদিন হৃদয় বাথরুম চেপে রাখলেও দ্বিতীয়দিন বাধ্য হয়ে হৃদয় খান বাথরুমে গিয়েছেন। কিন্তু যখনই তিনি বাথরুমে যান, অন্যান্য কয়েদিরা তাকে জেলদ্দেশ্যে করে “ভ্লগার হাগে, ভ্লগার হাগে” বলে চিৎকার করতে শুরু করে এবং শিষ বাজাতে থাকে।তারপর থেকে তারা আর টয়লেট করেননি।
উল্লেখ্য, হৃদয় খান ও রিফাত হোসাইন ফরিদপুরের নব্য কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তারা দু’জনেই সরকারি রাজেন্দ্র কলেজে অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্র৷ পড়াশোনার পাশাপাশি ভ্লগিং ও ফানি ভিডিও করে ইতিমধ্যে ফরিদপুরে বেশ কিছু সুনাম অর্জন করেছেন। তবে, গতবছর জুলাই বিপ্লবের আন্দোলনের সময় ভ্লগ করতে গিয়ে নজরে পড়ে যান পুলিশদের। তখন পুলিশদের উদ্দেশ্য করে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ ও শীষ দিতে থাকেন। ফলশ্রুতিতে সেদিন রাতেই তাঁদেরকে ধরে নিয়ে জেলে ভরা হয়।
জানা যায়, তাঁরা ইচ্ছে করে পুলিশ কে রাগিয়ে দিচ্ছিলো, যাতে করে তারা ভাইরাল হতে পারে।

